রবিবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২২
spot_img
Homeচুলের যত্নচুলের যত্নে তেলের ব্যবহার | Chuler Jotne Tel Er Bebohar

চুলের যত্নে তেলের ব্যবহার | Chuler Jotne Tel Er Bebohar

চুলের যত্নে তেলের ব্যবহার

Chuler Jotne Tel Er Bebohar

ক্যাস্টর অয়েল : চোখ ও ভ্রু ঘন করতে নিয়মিত দু’তিন ফোঁটা ক্যাস্টর অয়েল ধৈর্য ধরে লাগান।
আমন্ড অয়েল : চোখের নিচে কালি দূর করতে ও ব্যথা, ফোলা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করে এ তেলটি।
সরিষার তেল : গরম করে তালুতে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করুন। দেখবেন খুশকি একেবারেই সেরে যাবে। সরিষার তেল ত্বকে আর্দ্রতা জোগাতে পারে। শীতে ফাটা ত্বকে এর মালিশ খুব উপকারী। শিশুর ত্বকেও খাঁটি সরিষার তেলের ম্যাসাজ অন্য রাসায়নিকযুক্ত তেলের তুলনায় নিরাপদ। ঠা-ার সময় উষ্ণতাও দেয় এই তেল। ঠা-া, কফ, মাথাব্যথা কমাতে সরিষার তেলের ম্যাসাজ উপকারী।
এপ্রিকট অয়েল : ময়েশ্চারাইজার ও ত্বকের পুষ্টির জন্য এপ্রিকট অয়েল খুবই উপকারী।
ইভনিং প্রিমরোজ : অ্যাকনে, একজিম, খুশকির ক্ষেত্রে বেশ উপকারী।
ক্যারট অয়েল : বয়সের ছাপ কমানো ও পুড়ে যাওয়া রোধে ব্যবহৃত হতে পারে এ তেল।
অ্যাভোকাডো : নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে।
হ্যাজেলনাট অয়েল : ত্বকের শৈথিল্য দূর করে কোষ উৎপন্ন করে।
তিলের তেল : ছোট ছোট সাদা ফুল থেকে হয় কালচে তিলের দানা। এ দানার গুণাগুণের শেষ নেই। এ থেকে হয় তিলের তেল। তিলের তেলের ব্যবহারে ত্বক হয় সজীব। যাদের ত্বকে রোদে পোড়া ভাব রয়েছে, তাদের ওই পোড়া দাগ দূর করতে পারেন এ তেল ম্যাসাজের মাধ্যমে। এই তেল ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয়। মাথাও ঠান্ডা থাকে। শীতের সময় রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য কর্পূর তিলের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে উষ্ণতা পাওয়া যায়। তিলের তেল চুলের খুশকিও দূর করে। এ জন্য সপ্তাহে একবার নারকেলের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন।
তিসির তেল : ত্বকের কোমলতা ফিরিয়ে আনতে ত্বকে ম্যাসাজ করতে পারেন তিসির তেল। এতে ত্বকের ভাঁজগুলো ধীরে ধীরে কমে যায়। তিসির তেল খেতেও পারেন। এতে মেধা বাড়ে। চোখের দৃষ্টির জন্যও ভালো।
জলপাই তেল : যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রাটা বেশি, তাদের জন্য জলপাই তেলের কোনো বিকল্প নেই। এ তেলের রান্না যেমন ভালো, ত্বকে এর ব্যবহারও উপকারী। যাদের ত্বকে চুলকানির সমস্যা রয়েছে, তারা নির্দ্বিধায় এ তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। শিশুর ত্বকেও নিরাপদ। জলপাই তেল মাথার ত্বকের খুশকি দূর করার জন্যও উপকারী।
বাদাম তেল : পুষ্টি আর শক্তি এ দুটো একসঙ্গে পেতে বেছে নিতে পারেন আমন্ড বাদাম তেল। চেহারায় লাবণ্য ছড়ায় এ তেল। মাথায় ব্যবহার করতে পারেন। শরীরে ম্যাসাজ করতে পারেন ময়েশ্চারাইজার হিসেবে। চিনাবাদামের তেল খেতেও পারেন বিস্কিট বা কেকের সঙ্গে বেক করে।
সূর্যমুখী তেল : এই তেলের সুবিধা হলো, ত্বকে ব্যবহার করলে কোনো অস্বস্তিকর তেলতেলে অনুভূতি হয় না। বরং বেশ ভালো বোধ হয়। ত্বক সজীব ও লাবণ্যময় করতে সূর্যমুখীর তেল ম্যাসাজ করতে পারেন।
নিম তেল : যাদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা আছে, তারা নিম তেল ব্যবহার করতে পারেন সপ্তাহে দুই দিন। দুএক ফোঁটা নিম তেল খেতেও পারেন প্রতিদিন।
এসেনশিয়াল অয়েল : তেলের ব্যবহার শুধু খাওয়া আর রূপচর্চায় সীমাবদ্ধ নেই। এখন মনকে প্রফুল্ল করতেও তেলের ব্যবহার দেখা যায়। তেলের সঙ্গে বিভিন্ন গাছের ফুল, লতাপাতা, মূলের নির্যাস মিশিয়ে এখন তৈরি করা হচ্ছে এসেনশিয়াল অয়েল। সুগন্ধির পাশাপাশি বেশ উপকারীও এটি। আমরা তেলের সঙ্গে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান ও সুগন্ধি যোগ করে পেতে পারি সজীবতা ও সতেজতা। যেমন_
* লবঙ্গ, রোজমেরি, লেবু একসঙ্গে তেলে মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলে সতেজ হওয়া যায়।
* জায়ফল, কমলা, ভ্যানিলা একসঙ্গে তেলে মিশিয়ে ম্যাসাজ করে আপনার স্নায়ুবিক চাপ কমিয়ে ফেলতে পারেন।
* ক্যামোমাইল, ল্যাভেন্ডার, গোলাপের নির্যাস তেলে মিশিয়ে শরীরের আবর্জনা দূর করুন।
* ত্বকের উজ্জ্বলতা আনতে তেলে লেবুর নির্যাস ও জেসমিন যোগ করে ম্যাসাজ করতে পারেন।
নানারকম এসেনশিয়াল অয়েল পাবেন যেকোনো সুগন্ধির দোকানেই। এছাঙা নানা বিউটি পার্লারেও এসব তেল কিনতে পাওয়া যায়।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Cantonment Public School and College Job Circular 2022

Dhaka University Job Circular 2022

Dhaka Wasa Job Circular 2022

Trust Bank Ltd Job Circular 2022

Recent Comments

ABUL HOSAIN on BMTF Job Circular 2022