Popular Posts

পরীমণির বিছানায় রক্তের দাগের কারণ ফাঁস!

পরীমণির বিছানায় রক্তের দাগের কারণ ফাঁস!

স্বামী শরিফুল রাজের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আলাদা থাকছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রক্তমাখা বিছানার চাদর ও বালিশের ছবি প্রকাশ করেন তিনি। এবার সেই ছোপ ছোপ রক্তের দাগ নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

রাজ-পরীর বাসার ম্যানেজার সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন, ‘পরীমণি যে রক্তের কথা বলছেন, সেটা রাজের রক্ত। অ্যাকুরিয়াম সরাতে গিয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।’

তিনি আরও জানান, ‘রাজ নিজেই অ্যাকুরিয়াম সরাচ্ছিলেন। সেটি পড়ে ভেঙে তার হাত কেটে গেছে। ওই সময় রাজ্যও পাশে ছিল।’

মধ্যবয়সী ওই ম্যানেজারের ভাষ্য, অনেকদিন ধরেই ফ্ল্যাটগুলো দেখভাল করছি। প্রতিদিনই তাদের (রাজ-পরী) সঙ্গে দেখা হয়। দুজনের মধ্যে বেশ মিল রয়েছে। হঠাৎ কি হলো, বুঝতে পারলাম না!

ভাঙনের গল্পের শুরুতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরী জানিয়েছিলেন, রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে। জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নেই।

আরেকটি স্ট্যাটাসে নায়িকা জানিয়েছেন, রাজ্যের (ছেলে) দিকে তাকিয়ে সব ঠিক করার জন্য পড়ে থাকতেন। কিন্তু তাতে কি আসলেই তার বাচ্চা ভালো থাকবে!

পরীর ভাষ্যমতে- না, একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে রাজ্য বড় হতে পারে না। তাই তিনি রাজ্য এবং রাজের মঙ্গলের জন্যই আলাদা হয়ে গেছেন।

আক্ষেপ করে তিনি জানান, রাজ্য তার বাবা-মাকে একসঙ্গে নিয়ে বড় হতে পারল না, এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে!

পরীর এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি গণমাধ্যমকে রাজ বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি চাকরি করি না। আমাকে ছুটি দেওয়ার কিছু নেই। আমরা দ্রুতই আইনজীবীর সঙ্গে বসে অফিশিয়ালি সিদ্ধান্ত নেব। সন্তান কার কাছে থাকবে, এ ব্যাপারে আইনি পরামর্শ মেনে নেব।’

রাজের ভাষ্য, ঘরের বিষয় নিয়মিত ফেসবুকে চলে যাবে, এটা হতে পারে না! আমি অনেক সহ্য করেছি। এভাবে চলতে থাকলে জীবন চালানো অসম্ভব।

নায়কের আক্ষেপ, আমার বেডরুমের খবর সবার জানার কথা নয়। কিন্তু এখন সেটি ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়েছে। আমার বেডরুম নিয়ে সবাই মজা নিচ্ছে।

পরী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তাকে আমি সম্মান করি। সে আমারসন্তানের মা। তার প্রতি ভালোবাসা আছে বলেই কিছু বলতে চাই না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *