1
1শতমূলী গাছ একটি লতানো উদ্ভিদ। এর গোড়ায় একগুচ্ছ কন্দ মূল থাকে। এই মূলগুলোই শতমূলী নামে পরিচিত। এর লতায় বাঁকা কাঁটা হয়। ফুল মঞ্জুরিতে হয়। শরতে এর ফুল ও ফল হয়, পাকে মাঘ-ফাল্গুন মাসে। ছোট মটরের মত সবুজ ফল, পাকলে লাল হয়।শতমূলীর ভেষজ গুণাবলি অপরিসীম।
বংশ বিস্তারের জন্য বীজই প্রধান মাধ্যম। উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশে এবং বালিযুক্ত মাটিতে এ গাছটি ভাল জন্মায়। বীজ বপনের পূর্বে বীজ ২৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। বীজের অঙ্কুরোদগম হতে ১০-১৫ দিনের মতো সময় লাগে। অংকুরিত চারার বয়স দুই থেকে তিন মাস হলে তা রোপণের উপযুক্ত হয়। কন্দমূল থেকেও চারা করা যায়। এপ্রিল-মে মাসে বীজ বপনের উপযুক্ত সময়।
রাসায়নিক উপাদানঃ মূলে শর্করাদ্রব্য ও গ্লাইকোসাইড এবং পাতায় স্যাপোনিন বিদ্যমান।
ব্যবহার্য অংশঃ শতমূলী গাছ এর কন্দমূল।
গুনাগুনঃ বলকারক, স্তন্যদুগ্ধবর্ধক, শুক্রগাঢ়কারক। স্বপ্নদোষ, মূত্রকৃচ্ছতা, শারীরিক দুর্বলতা, গনোরিয়া ও শুক্রমেহে উপকারী।
বিশেষ কার্যকারিতাঃ বলকারক, স্তন্যদুগ্ধবর্ধক, শুক্রগাঢ়কারক।
শতমূলীর রস বেশি দিন ক্রমাগত সেবন করলে পেটে গ্যাস হতে পারে। পরিশেষে, শতমূলীর গাছের ভেষজ গুণাবলি অপরিসীম।
তথ্যসূত্রঃ MyOrganicBD