1
1
বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন ২০২১ঃ স্মার্টফোনের রাজ্যে বেজেললেস ডিসপ্লে কিংবা ওয়াটার-ড্রপ নচ এর মত নতুন কিছু ডিজাইন ট্রেন্ড এসেছিল গতবছর। সেই সাথে ডুয়াল/ট্রিপল ক্যামেরায় বোকেহ ইফেক্ট অথবা ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করার ফিচারটিও খুব হাইপ তৈরি করেছিল। ২০২১ সালে এসে এই ফিচারগুলোরই আরেকটু অ্যাডভান্স রূপ দেখা যাচ্ছে আপডেটেড ফোনগুলোতে।
টেকনোলজির সাথে সাথে স্মার্টফোন জগৎ হয়ে উঠছে জনপ্রিয়। আসুন দেখে নেই এ বছরের সেরা কিছু স্মার্টফোনে!
বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় প্রথম যে স্মার্টফোনটি আমরা রাখছি সেটা হচ্ছে স্টিভ জবস এর আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স এর। আইফোন ১৩ প্রো ও প্রো ম্যাক্স এর স্পেসিফিকেশন একই হলেও ব্যাটারি ব্যাকাপের দিক দিয়ে এই তালিকার সব ফোনের চেয়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স। যার ফলে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স কে বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন ২০২১ এর তালিকায় উর্ধে রাখা হয়েছে!
আইফোন ১৩ প্রো সিরিজের অসাধারণ ক্যামেরা, দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন ও ১২০হার্জযুক্ত রিফ্রেশ রেট মিলিয়ে এই তালিকার সবদিক থেকে এগিয়ে আছে এই ফোনটি। এছাড়াও কার্যকরীতার দিক দিয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকবে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স।

প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে আলট্রা পারফরম্যান্স দেখিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২১ আলট্রা দখল করে নিয়েছে বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন তালিকার দ্বিতীয় স্থান। যেমন লুক তেমন পারফরমেন্স! ১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ম্যাডনেসকে সাথে নিয়ে স্মার্টফোন হিসেবে এই বছর অনেক উপরে অবস্থান করছে এই স্মার্টফোনটি।
আলট্রা সনিক ইন-ডিসপ্লে ফিংগারপ্রিন্ট এর কথা বলা হোক, কিংবা অসাধারণ স্টিরিও স্পিকার, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই নিখুঁত এক ছোয়া রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২১ আলট্রা ফোনটিতে। এসব আকর্ষণকে সাথে নিয়ে ফোনটির সুন্দর ডিজাইন দেখে যে কেউ এক দেখায় পছন্দ করে ফেলতে বাধ্য হবে।

নতুন আইফোন এর মোটা দাগের পরিবর্তনগুলো ফোকাসে আইফোন প্রো সিরিজ। আইফোন ১৩ প্রো এর থ্রিপল ক্যামেরা মাতিয়ে তুলেছে মোবাইল দিয়ে ফটোগ্রাফি ও ভিডিও রেকর্ড করতে যারা পছন্দ করেন তাদেরকে।
এ সময়ের সবচেয়ে বড় আইফোন ক্যামেরা সেন্সর কে সাথে নিয়ে আইফোন ১৩ প্রো নিঃসন্দেহে এই তালিকার অন্য সব ফোনকে কোনো সমস্যা ছাড়াই পেছনে ফেলবে। ফটোগ্রাফিক স্টাইল, প্রোরেস ভিডিও, ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি সহ অসংখ্য ফটোগ্রাফিক ফিচার নিয়ে আইফোন ১৩ প্রো সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় ৩য় স্থান দখল করে নিয়েছে।

সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় নতুন মুক্তি পাওয়া আইফোন ১৩ ও আছে। নতুন এ ১৫ বায়োনিক চিপ এর কল্যাণে আইফোন ১৩ তে। অপেক্ষাকৃত ছোট নচ ও নতুন ক্যামেরা প্লেসমেন্টের মাধ্যমে গতবছরের আইফোনের চেয়ে বেশ রিফ্রেশিং লুক নজরে আসবে এই বছরের আইফোন ১৩ তে।
আইফোন ১৩ তে ডিজাইনের পাশাপাশি ব্যাটারি লাইফেও উন্নতি এসেছে। পূর্ববর্তী আইফোন ১২ মডেল থেকে প্রায় ২.৫ঘন্টা অধিক ব্যাটারি ব্যাকাপ নিয়ে আইফোন ১৩ খুব সহজেই আমাদের বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

আইফোন ১৩ এর ক্যামেরাতেও এসেছে দেখার মতো পরিবর্তন। আইফোন ১৩ তে সেন্সর শিফট স্ট্যাবিলাইজেশন যুক্ত হওয়ার ফলে ভিডিও রেকর্ডিং হবে অধিক স্মুথ। এছাড়াও এবারের আইফোনের বেস স্টোরেজ ৬৪জিবি থেকে বাড়িয়ে ১২৮জিবি করেছে অ্যাপল।
আইফোনের পূর্বের ভার্সন গুলোর দাম কমেছে নতুন আইফোনের হাত ধরে। আপনি চাইলে আগের ভার্সন গুলো ও দেখে নিতে পারেন।
শাওমির ফোনগুলো বাজারে ভালোই জায়গা করে নিচ্ছে। শাওমি’র মি ১১ ফোনটির স্পেসিফিকেশন যেকোনো ধরনের স্মার্টফোন প্রেমিককেই আকৃষ্ট করার ক্ষমতা রাখে আমাদের এই বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় শাওমি মি ১১ স্থান করে নিয়েছে খুব সহজেই। কারণ এই ফোনের পারফরমেন্স নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট।
শাওমি মি ১১ এত কোয়াড কার্ভ ডিসপ্লে ও আকর্ষণীয় ডিজাইন এর সাথে এর শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ প্রসেসর ফোনটিকে অটোমেটিক এক পছন্দে পরিণত করেছে। আবার ১০৮মেগাপিক্সেল থ্রিপল ক্যামেরার কল্যাণে যেকোনো ধরনের ফটোগ্রাফিই সম্ভব মি ১১ ফোনটিতে।

অপো টপ টিয়ার ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ, ফাইন্ড এক্স এর লেটেস্ট সংযোজন, অপো ফাইন্ড এক্স৩ প্রো আমাদের সেরা স্মার্টফোন তালিকায়! কারণ এর অসাধারণ ফিচারস যে কাউকে ভালোবাসায় মুগ্ধ করবে। অপো বরাবরই তাদের ক্যামেরার জন্য পরিচিত, এই ফোনেও ক্যামেরার জন্য তারা সেরা।

ইউনিক ইউনিবডি ডিজাইন ও ওয়ানপ্লাস ৯ প্রো এর মত একই ৬৫ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এর কথা বলেই শেষ নয় অপো ফাইন্ড এক্স৩ প্রো এর ফিচার এর তালিকা। ফোনটিতে থাকা স্পেশাল মাইক্রোস্কোপিক ক্যামেরা ফোনটিকে করেছে একদম আলাদা। স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ এর কল্যাণে ফোনটি শক্তিশালী পাওয়ার হাউস ও বটে।
শাওমির ফোনগুলো বাজারে ভালোই জায়গা করে নিচ্ছে। শাওমি’র মি ১১ ফোনটির স্পেসিফিকেশন যেকোনো ধরনের স্মার্টফোন প্রেমিককেই আকৃষ্ট করার ক্ষমতা রাখে আমাদের এই বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় শাওমি মি ১১ স্থান করে নিয়েছে খুব সহজেই। কারণ এই ফোনের পারফরমেন্স নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট।
শাওমি মি ১১ এত কোয়াড কার্ভ ডিসপ্লে ও আকর্ষণীয় ডিজাইন এর সাথে এর শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ প্রসেসর ফোনটিকে অটোমেটিক এক পছন্দে পরিণত করেছে। আবার ১০৮মেগাপিক্সেল থ্রিপল ক্যামেরার কল্যাণে যেকোনো ধরনের ফটোগ্রাফিই সম্ভব মি ১১ ফোনটিতে।

ওয়ানপ্লাস ৯ প্রো ফোনটির মাধ্যমে সেরা স্মার্টফোনের কাতারে বেশ সহজেই নিজেদের স্থান দখল করে নিয়েছে ওয়ানপ্লাস। হ্যাসেলব্লেড-টিউনড ক্যামেরার কল্যাণে ওয়ানপ্লাস ৯ প্রো এর ক্যামেরাও তালিকার অন্যসব ফোনের ক্যামেরার সাথে টক্কর দিবে সমানে।
ফাস্ট ওয়্যারলেস চার্জিং এর পাশাপাশি অসাধারণ দেখতে কিউএইচডি ডিসপ্লে ও ১২০হার্জ রিফ্রেশ রেট মিলিয়ে অস্থির একটি স্মার্টফোন প্যাকেজে পরিণত হয়েছে ওয়ানপ্লাস ৯ প্রো। ফোনটিতে টপ অফ দ্যা লাইন, স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ প্রসেসরের পাশাপাশি কোয়াড ক্যামেরা সেটাপ ফোনটিকে যেকোনো ধরনের ব্যবহারকারীর জন্য একটি আকর্ষণীয় ডিলে পরিণত করেছে।
ওয়ানপ্লাস ৯ প্রো এর ব্যাস ভ্যারিয়েন্ট এ র্যাম রয়েছে ৮জিবি ও স্টোরেজ থাকছে ১২৮জিবি। এছাড়াও ১২ জিবি র্যাম পর্যন্ত ও ২৫৬জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ পাওয়া যাবে ওয়ানপ্লাস ৯ প্রো এর ম্যাক্স ভ্যারিয়েন্টে।

গেমারদের কথা মাথায় রেখে তৈরী করা হয় বলেই হয়ত আসুস এর ফোনগুলো পারফরম্যান্স এর দিক দিক দিয়ে এতো মারাত্মক হয়ে থাকে। কথা বলছি আসুস আরওজি ফোন ৫ কে নিয়ে। এই ফোনটার মাথানষ্ট পারফরম্যান্স বিশ্বের সেরা স্মার্টফোন এর তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
১৪৪হার্জ এর ব্লেজিং ফাস্ট রিফ্রেশ রেট ও স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ এর বদৌলতে যেকোনো ধরনের গেম ম্যাক্স সেটিংসে এই ফোনটিতে নির্দ্বিধায় খেলা যাবে। ফোনটির নজরকাড়া ডিজাইন আর এমন মনস্টার পারফরম্যান্স, ফোনটিকে যেকোনো মোবাইল গেমারের জন্য স্বপ্নের ফোনে পরিণত করেছে।
একনজরে আসুস আরওজি ফোন ৫ এর স্পেসিফিকেশনঃ

শাওমি মি ১১ আলট্রা ফোনটির ফিচারসমুহ আসলে গুণে শেষ করা সম্ভব নয়। ফোনটি জানা অজানা অসংখ্য চমকে পরিপূর্ণ। তিনটি ৪৮মেগাপিক্সেল ব্যাক ক্যামেরাই হোক, কিংবা ফোনের ব্যাকে একটি ১.১ইঞ্চি সেকেন্ডারি ডিসপ্লে; একটি ফোনে যতোসব প্রযুক্তিকে জায়গা দেওয়া সম্ভব, তার সবটুকুই নিশ্চিত করেছে শাওমি।
আগেই বলেছিলাম, মি ১১ আলট্রা ফোনটির প্রত্যেকটা ফিচারেই কোনো না কোনো চমক থাকছেই। যার ফলশ্রুতিতে এই ফোনটিতে রয়েছে ৬৭ওয়াট ফাস্ট চার্জিং। আরো রয়েছে ৬.৮১ইঞ্চির কিউএইচডি অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যা ১২০হার্জ রিফ্রেশ রেট সাপোর্টেড। এছাড়াও চিপসেট হিসেবে স্ন্যাপ্পড্রাগন ৮৮৮ তো থাকছেই।
শাওমি মি ১১ আলট্রা ফোনটিতে ৫০ মেগাপিক্সেল মেইম ক্যামেরার পাশাপাশি রয়েছে ৪৮মেগাপিক্সেল আলট্রাওয়াইড ও ৪৮মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা। এই ৪৮মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা আবার ৫এক্স অপটিক্যাল জুম ও ১২০এক্স ম্যাক্স জুম করতে সক্ষম।

স্যামসাং এর তৃতীয় জেনারেশনের ফোল্ডেবল ডিভাইস, স্যামসাং গ্যালাক্সি জি ফোল্ড ৩ আমাদের সেরা স্মার্টফোনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে এর অসাধারণ সব সুবিধা আর ভবিষ্যতমুখী ভাবনার বিবেচনায়।
গত জেনারেশনের ফোল্ডেবল এর চেয়ে বেশ অনেকটা পথ এগিয়ে এসেছে স্যামসাং। গ্যালাক্সি জি ফোল্ড ৩ একটি ব্যবহারযোগ্য স্মার্টফোন হওয়ার পাশাপাশি একটি ফোল্ডেবল ডিভাইসও বটে। ফোল্ডেবল ডিভাইস হওয়ার দরুণ আমাদের এই সেরা স্মার্টফোন এর তালিকার অন্য যেকোনো স্মার্টফোন এর তুলনায় জি ফোল্ড ৩ এ মাল্টিটাস্কিং এক্সপেরিয়েন্স তুলনামুলকভাবে অনেক উন্নত।
ফোল্ডেবল প্রযুক্তি আর স্যামসাং এর অসাধারণ ডিসপ্লে প্রযুক্তি এক হয়ে জি ফোল্ড ৩ ফোনটিকে একটি অসাধারণ ডিভাইসে পরিণত করেছে। স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ চিপসেটের সাথে ১২০হার্জ রিফ্রেশ রেট মিলিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি জি ফোল্ড ৩ প্রত্যেকটা টাস্কই দ্রুত থেকে দ্রুততর সময়ে সম্পন্ন করতে সক্ষম।