Popular Posts

এত বেশিসংখ্যক বুদ্ধিজীবী হত্যার উদাহরণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া আর নেই : মোস্তাফা জব্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ধূমকেতু বাংলা: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিসেম্বরে পরাজয়ের আগমুহূর্তে পাক হানাদার বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। আমাদের লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীরা বিবেকের কণ্ঠস্বর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই তাদের জিঘাংসার শিকার হয়েছেন। এত কম সময়ে এত বেশিসংখ্যক বুদ্ধিজীবী নিধনের উদাহরণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া আর কখনো ঘটেনি বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ঢাকায় গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার বলেন, ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত কয়েকজন শীর্ষ অপরাধীর বিচার ও শাস্তি কার্যকর হয়েছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশ বেরিয়ে আসতে পেরেছে। এটি জাতির জন্য স্বস্তিকর।

মন্ত্রী বলেন, বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আজকের এই দিনে আমরা জাতির এই মহান সন্তানদের শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ করি। কিন্তু যাঁরা নিজেদের জ্ঞান-মনীষা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখিয়েছেন, আলোকিত করেছেন, তাঁদের বছরের একটি দিন স্মরণ করাই যথেষ্ট নয়। আমাদের অনুধাবন করতে হবে কেন এই মহৎপ্রাণ মানুষগুলো জীবন দিয়েছেন। তাঁদের চিন্তা ও আদর্শ ধারণ করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল সাম্য সমাজ প্রতিষ্ঠায় নতুন প্রজন্মকে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের অগ্রদূত মোস্তাফা জব্বার।

অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, রাশীদুল হাসান, ড. আনোয়ার পাশা, সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লা কায়সার, নিজামুদ্দীন আহমদ, গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. আলীম চৌধুরী, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, সেলিনা পারভীন প্রমূখ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নাম উল্লেখ করেন স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যা্লয় ক্যাম্পাস থেকে রাজপথের লড়াকু এই সৈনিক।

তিনি তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বাঙালি জাতির এই মেধাসম্পদ ধ্বংসকারী পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এই দেশিয় দোসর রাজাকার আলবদর ও আল শামস বাঙালির যে ক্ষতি করেছে তা কোনদিনও পূরণ হবার নয়।

আরো পড়ুন:

বুদ্ধিজীবীদের তালিকা ২৬ মার্চের মধ্যে তৈরি করা হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *